Tuesday, 19 August 2014
Thursday, 24 July 2014
Sunday, 6 July 2014
Thursday, 26 June 2014
ফুল্লরার জন্য একটি কবিতা
আমি তোকে চাই, এক্ষুনি চাই তোকে
জানি বলবেই মাতালের বাড়াবাড়ি
কালপুরুষের সোনালি ফনার ঝোঁকে
দুচোখে জ্বলছে তোমার ঢাকাই শাড়ি
আমি তো তোমাকে ভালবাসাতেই চিনি
চিনি ক্ষয়ে যাওয়া গোধূলির কালবেলা
বুকের পাথরে সংলাপে সংলাপে
এসএমএস জুড়ে অন্ধের ধুলোখেলা।
জানি বলবেই মাতালের বাড়াবাড়ি
কালপুরুষের সোনালি ফনার ঝোঁকে
দুচোখে জ্বলছে তোমার ঢাকাই শাড়ি
আমি তো তোমাকে ভালবাসাতেই চিনি
চিনি ক্ষয়ে যাওয়া গোধূলির কালবেলা
বুকের পাথরে সংলাপে সংলাপে
এসএমএস জুড়ে অন্ধের ধুলোখেলা।
Monday, 23 June 2014
ফুল্লরার জন্য আর একটি
অমিত সরকারের কবিতা
ফুল্লরার জন্য আর একটি
ফুল্লরা পরজন্মে একমুঠো ভাত হয়ে এসো
সোনালি আলুভাজা হয়ে এসো থালাটির পাশে
সকালের মত সবুজ লেবুটির টুকরো হয়ে এসো,
এসো একগ্লাস ঠাণ্ডা জল হয়ে, চুলের সুঘ্রাণ হয়ে
সহজিয়া নদীর ডহরে জ্যৈষ্ঠের বৃষ্টি হয়ে এসো,
এসো নির্জন রাত্রে দূরাগত ভাটিয়ালী গান হয়ে
সোনালি আলুভাজা হয়ে এসো থালাটির পাশে
সকালের মত সবুজ লেবুটির টুকরো হয়ে এসো,
এসো একগ্লাস ঠাণ্ডা জল হয়ে, চুলের সুঘ্রাণ হয়ে
সহজিয়া নদীর ডহরে জ্যৈষ্ঠের বৃষ্টি হয়ে এসো,
এসো নির্জন রাত্রে দূরাগত ভাটিয়ালী গান হয়ে
দুটো জীবনের মধ্যে একটা মাত্র বিষণ্ণ চৌকাঠ
এবং কোনও দরোজা নেই
পরজন্ম অবধি আমি তোমার অপেক্ষায় থাকবো
এবং কোনও দরোজা নেই
পরজন্ম অবধি আমি তোমার অপেক্ষায় থাকবো
...
Saturday, 21 June 2014
Thursday, 5 June 2014
ঝগড়ার পর
অমিত সরকারের কবিতা
ঝগড়ার পর
এতো যে পালক ঝরে পড়ে রোজ সকালবেলার ঝগড়াঝাঁটি
তবুও কিন্তু চিনতে ভোলোনি আনুগত্যের শীতলপাটি
সন্মোহনের সুখ জেগে থাকে ঘুম মুছে যায় অপরাধ বোধে
গেরস্থালির ত্রিসন্ধ্যা জুড়ে চৈত্রমিথুন ডাকে প্রতিশোধে
তুমিও তো ডাকো, উজালা প্রহর হটাৎ কখন টুকিটাকি আলো
একলাই দেখি মাঠের ভেতর স্বরবর্ণেরা ডানা ঝাপটালো
মেধাঘোর নেই, উল্টোনামতা, ঠোঁটে ঠোঁট ঘষে রক্তক্ষরণ
ছায়া নিংড়োলে সিঁড়ীভাঙা গান, আলগোছে মায়াচাঁদের মরণ
Wednesday, 4 June 2014
আজকাল
অমিত সরকারের কবিতা
আজকাল
শব্দ পড়ি না,
শব্দের
মধ্যবর্তী অন্ধকারগুলো শুধু পড়ি
পড়ি
অন্তর্গত ঈর্ষায় নীলাভ হওয়া সাদা পাতা
জাদু
আয়নায় প্রশ্ন ছুঁড়ে মারে বধির স্তব্ধতা
চোরাস্রোতে
ফিরে ফিরে আসে দহনের রাত
শিমূলের
বীজ উড়ে যায় অপ্রাপ্তির বিগ্রহ নির্মাণে
কাঁচের
ওপার থেকে আমি দেখি তার ডানার ঝাপট,
ক্রোধ,
বাউলাঙ্গ আঁচলের বসন্তদিন ।
স্মৃতির
আড়াল থেকে ভেসে আসে কফি ঘ্রাণ,
হলুদ
রুমাল, বিষণ্ণ বৃষ্টির এসএমএস,
একমুঠো
রোদ্দুরের ফুলে ছায়াপথ কিভাবে পুড়ে যায়
কবি
ছাড়া শুধুমাত্র আর একজনই তা জানে...
২৭ মে ২০১৪
ভাতের কুহক
অমিত সরকারের কবিতা
ভাতের কুহক
এ এক জারণঋতু, আশ্চর্য বৃষ্টির লবন
ঢেকে দিচ্ছে ক্ষতচিহ্ন, রিক্ত মধুমাস
ছিন্নমূল ঘুম ভেঙে দুচোখেই রক্তাক্ত চড়ুই
খেলাঘর জেগে আছে গায়েহলুদের রঙে
রোদ্দুর এসে মুছিয়ে দিচ্ছে মনখারাপ
কাকচিহ্নে ডেকে উঠছে বিবাহজীবন
সুসংবাদও আজকাল দুর্বোধ্য, স্পর্শহীন
হাড় থেকে ঝরে পড়ছে তমোঘ্ন আলো
ক্রমশ বিষাদগাথা একা স্থির হলুদপাতায়
এই যদি ঋতুচিহ্ন, ফসলের উন্মাদ সঙ্গীত
রক্তমাংসে অধিকার, লবনাক্ত যুদ্ধের স্পৃহা
তবে আজ চুপ করে শোনো, তোমার
গভীরে আমি খুঁজি একথালা ভাতের কুহক
২৮ মে ২০১৪
Subscribe to:
Posts (Atom)



































